“সারা বছরে কোনওমতে একটামাত্র এমন দিন জোটাতে পারি।”
২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর দিনটার কথা বলছিলেন স্বপ্নালি দত্তাত্রেয় জাধভ। বেদ মানে একটা মারাঠি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। দেশজোড়া নামডাক হয়নি বটে, তবে কলাকুশলীদের প্রত্যেকেই বেশ পরিচিত। বছর গেলে এক-দুদিনই এমন অবকাশ মেলে গৃহশ্রমিক স্বপ্নালির। ৩১ তারিখ ছিল সেরকমই একটা ছুটির দিন, তাঁর পছন্দমাফিক ওই সিনেমাটাই দেখতে গিয়েছিলেন।
সাতরাজার ধন সমান সেই ছুটির দিনটির কথা মনে করে দৃশ্যতই খুশি বছর ২৩-এর স্বপ্নালি বলছিলেন: “ইংরেজি নিউইয়ার ছিল তো সেদিন, ওইজন্যই। বাইরেই খাওয়াদাওয়া করেছিলাম, গোরেগাঁওয়ের ওদিকটায়।”
বছরের বাদবাকিটা জীবনের জাঁতাকলে পিষতে থাকেন স্বপ্নালি। মুম্বই শহরে ছয়খানা গেরস্থালির গৃহকর্মের দায়-দায়িত্ব একাহাতে সামলান তিনি — বাসনকোসন মাজা, জামাকাপড় ধোওয়া, সবকিছুই। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যেতে ১০-১৫ মিনিট লাগে, ওটুকু সময় ফোনে মারাঠি গান শোনেন। অবকাশের এই ছোট্ট ছোট্ট মুহূর্তগুলো যেন একচিলতে হাসি হয়ে ফুটে উঠল তাঁর চোখেমুখে: “খানিক টাইমপাস হয় এগুলো শুনে।”























