হাজার হাজার যাযাবর পশুপালক তো ইতিমধ্যেই উপস্থিত – আসছেন আরও অনেকে। মূলত মহারাষ্ট্র থেকে আসা ধাঙ্গর আর কর্ণাটকের কুরুবাদের কে না চেনে, কতরকম গোষ্ঠীর লোক সব। সে তাঁদের বার্ষিক পরিযান পথ যাই হোক না কেন, প্রতি অক্টোবর-নভেম্বর মাসে সক্কলে ওই প্রবাদপ্রতিম হলদে মেঘের পিছু পিছু এসে মিলিত হন এই পট্টন কোডলি গাঁয়ে।
তাঁদের সবার পূজ্য বিট্ঠল বীরদেব মহারাজের মন্দিরে তাঁর জন্মবার্ষিকী পালনে মেতে ওঠার পালা এখন, তাই সবাই মিলে জড়ো হয়েছেন হটকানাঙ্গল তালুকের এমনিতে সাদামাটা এই গ্রামখানায়। কোলাপুরে এ এক অন্যরকম বৃষ্টি আর প্লাবনের মরসুম, যখন পরবের খুশি ঝরে আকাশ ছাপিয়ে আর ভক্তদের জোয়ারে ভাসে মহারাষ্ট্রের এই জেলা, তাঁদের নাচের তালে যেন দুলে ওঠে চতুর্দিক। অবশ্য এহেন বিপর্যয়ে মাঠ-ঘাট-ঘরদোর কী আর কারও গায়ে আঁচড়টিও লাগে না।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা সম্প্রদায়ের মানুষ, ধাঙ্গর আর কুরুবা সম্প্রদায়ের অন্তর্গত বহু গোষ্ঠী এবং জাতের লোকজন দলে দলে ভিড় করেন মহারাষ্ট্রে, সবাই রাখাল আর চাষিদের রক্ষাকর্তা বলে মানেন বিট্ঠল বীরদেবকে। "আমাদের জন্য বিট্ঠল বীরদেবের মাহাত্ম্য কম না। রাখওয়ালা বলো, মনের সান্ত্বনা বলো…আবার আমাদের রাস্তাও তো সেই তিনিই দেখান। আমাদের অটল আশা-ভরসা-ভক্তি সবই তাঁকে ঘিরে," এক তীর্থযাত্রী বলেন।





























