“যতদিন সূর্য আর চাঁদের আলো থাকবে, ততদিন এ কাজ চলবে,” মুম্বইয়ের উত্তরে অবস্থিত বহু শতাব্দী পার করে আসা ভাসাই দুর্গের পাথরের উপর ছেনি চালানোর সময় কথাগুলি বলেন তুকারাম পাওয়ার। “বহু লোক মরবে, অনেকে আবার থেকেও যাবে; এসব কখনও গোনা যায় না। আপনি যে কাজ করছেন, সেটা কোনওদিন মাপতে যাবেন না। শুধু কাজ করে যান।”
পালঘরের ষোড়শ শতাব্দীর বেসেইন (বা, ভাসাই) দুর্গের মেরামতির কাজ করছেন যাঁরা, তুকারাম পাওয়ার সেই পাথর-কাটা কারিগরদেরই একজন। দুর্গ চত্বরে চারিদিকে এবড়ো-খেবড়ো পাথর ছড়ানো। তারই মধ্যে পা জড়ো করে বসে তিনি একটা হাতুড়ি আর ছেনি দিয়ে পাথরের আয়তাকার চাঁইগুলোকে এক নাগাড়ে পিটিয়ে পিটিয়ে নতুন আকার দিচ্ছেন।
তুকারাম-সহ সমস্ত শ্রমিকেরা মিলে বালে কেল্লার দেওয়ালের ফাঁকে কুচো পাথর আর চুনের প্রলেপ লাগিয়ে এগুলোকে মজবুত করার কাজ করছিলেন। দুর্গের এই অংশটা গুজরাটের সুলতান বাহাদুর শাহ তৈরি করিয়েছিলেন (পরবর্তীকালে অবশ্য পর্তুগিজরা এটাকে গির্জায় রূপান্তরিত করে)।









