আমাদের প্রথম দফার পডকাস্টে আমরা দেবীদাস বেন্ডকুলের মতো কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। রাজ্য সরকার বারে বারে কৃষকদের দেওয়া কথার খেলাপ করেছে এবং সেই রোষেই তাঁরা এই পদযাত্রায় সামিল হয়েছেন। তাঁরা তাঁদের সংগ্রাম, জরুরি দাবিদাওয়া এবং স্বপ্নের কথা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তথা গ্রামীণ ভারত ঘিরে কর্মরত প্রতিবেদক পি সাইনাথ এই আলোচনায় যোগদান করে হাজার হাজার কৃষিজীবীর এভাবে রাস্তায় নামার কারণ সম্বন্ধে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলছিলেন কেমন অভুতপূর্ব শৃঙ্খলায় মিছিল চলেছিল আর কেমন করে এই আন্দোলনকারীরা মুম্বই শহরের শ্রেণি নির্বিশেষে সব মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। এই ঘটনা কেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সে কথাও আলোচনার শেষে বলেন তিনি।
১২ মার্চ মহারাষ্ট্র সরকার কৃষকদের বেশিরভাগ দাবি মেনে নিলেও এখনও তার অনেকগুলি পূরণ হয়নি।
এই ধরনের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের গুরুত্ব অপরিসীম। একমাত্র এই উপায়েই দরিদ্র জনসাধারণের কথা মানুষের কাছে পৌঁছায়। পডকাস্টের এই পর্বে এবং একটি সদ্য প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে সাইনাথ বিশাল মাত্রায় গণতান্ত্রিক প্রতিবাদে সামিল হওয়ার প্রস্তাব রেখেছেন, এবং এরই পাশাপাশি কেবলমাত্র কৃষিসংকট এবং সেই সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্রে রেখে সংসদে তিন সপ্তাহ বা ২১ দিন-ব্যাপী দুইকক্ষের বিশেষ যুগ্ম অধিবেশনের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার কথাও বলেছেন।
খেতেখামারে কর্মরত অগণিত কৃষিজীবীর সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সংগ্রামের কথা তুলে আনা আলোকচিত্রী ও প্রতিবেদক সার্থক চাঁদ; এই পদযাত্রা সম্বন্ধে একের পর এক আলেখ্য রচনাকারী পারি ফেলো পার্থ এম এন; পডকাস্টের এই পর্ব তৈরিতে সহায়ক হিমাংশু সইকিয়া, সিদ্ধার্থ আদেলকার, আদিত্য দীপঙ্কর এবং গৌরব শর্মা – সকলের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা।
অনুবাদ: মহুয়া মহারাণা
অনুবাদ সম্পাদনা: স্মিতা খাটোর