চলতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় শুক্রবারে শ্রমিক হেল্পলাইন বেজে উঠেছিল।
“একটু সাহায্য করতে পারবেন? মজুরি দেয়নি আমাদের।”
কুশলগড় থেকে রাজস্থানের ভিতরেই পাশের এক তেহসিলে কাজের খোঁজে যাওয়া ৮০ জন মজুরের একটা দল ছিল সেটা। দুই মাস ধরে টেলিকম ফাইবার তার বসানোর জন্য দুই ফুট চওড়া আর ছয় ফুট গভীর নালি খুঁড়েছেন তাঁরা। খোঁড়া নালির প্রতি মিটার হিসেবে মজুরির দর মেলার কথা।
দুমাস পর যখন তাঁরা প্রাপ্য টাকা দাবি করেন, ঠিকাদার প্রথমে বলে কাজ ঠিক হয়নি, তারপর টাকার অংক এদিক-সেদিক করার চেষ্টা করে, সবশেষে স্তোক দেয় “দেতা হুঁ, দেতা হুঁ [দিচ্ছি, দিচ্ছি]” বলে। বলাই বাহুল্য সে টাকা পাওয়া যায়নি, আর প্রায় ৭-৮ লক্ষ বাকি টাকার জন্য আরও একটা সপ্তাহ অপেক্ষা করে তাঁরা থানায় যান, যেখানে তাঁদের বলা হয় শ্রমিক হেল্পলাইনে ফোন করতে।
ফোন করার পর “আমরা জানতে চাইলাম ওঁদের কাছে কোনও প্রমাণ আছে কিনা। ঠিকাদারের নাম-ফোন নম্বর, কোনও হাজিরা খাতার ছবি এইসব,” জানাচ্ছেন জেলা সদর বাঁসওয়ারার বাসিন্দা সমাজকর্মী কমলেশ শর্মা।
ভাগ্যক্রমে দলের মধ্যে মোবাইলপটু কিছু তরুণও ছিলেন যাঁরা এই সব কিছু দেখাতে সক্ষম হন, তাছাড়াও ফোনে ছবি তুলে নিজের কাজের জায়গার ছবিও পাঠিয়ে দেন তাঁরা মামলা আরও মজবুত করতে।























