ফুটিফাটা চটিজুতোও যত্ন করে রেখে দেন শ্রমজীবী মেহনতি মানুষেরা। ভারবাহী শ্রমিকদের চপ্পলগুলো যেমন পায়ের চাপে দেবে যায় অনেকটা, ভেতর দিকে ঢুকে যায় গর্তের মতো। কাঠুরিয়াদের চপ্পলে আবার দেখবেন হাজারটা কাঁটা-চোঁচ গেঁথে আছে। আর আমার নিজের চপ্পলগুলোকে অক্ষত রাখতে তো সেফটিপিন দিয়েই মেরামত করে নিই আমি।
ভারত জুড়ে যত জায়গায় গেছি, জুতোর ছবি ক্যামেরায় ধরে রাখতে থেকেছি সারাক্ষণ আর নিজের ছবিতে খুঁজেছি এইসব আখ্যান। এই জুতোগুলোর গল্পের মধ্যে আছে আমার নিজের সফরের কথাও।
ওড়িশার জাজপুরে সম্প্রতি যখন একটা কাজে গিয়েছিলাম, বড়াবাঁকি আর পুরনামানাতিরা গ্রামের স্কুলগুলোয় যাওয়ার সুযোগ ঘটেছিল। যখনই আসতাম, আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন যে ঘরটায় জমা হয়েছেন সবাই মিলে, তার বাইরে পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখা চটিজুতোগুলো দেখে কেমন জানি কৌতূহল হত।
প্রথম প্রথম কিন্তু ব্যাপারটা তেমন চোখে পড়েনি। কিন্তু এই সফর শুরুর তিন দিন পর থেকে ভালো করে নজর করতে লাগলাম জরাজীর্ণ চপ্পলগুলোকে, তাদের কয়েকটায় আবার ফুটোফাটা ছিল রীতিমতো।
























