কৃষ্ণজি ভারিত সেন্টারে অলস বসে থাকার জো নেই।
সে মধ্যাহ্নভোজ হোক বা রাতের খাবার, কিংবা জলগাঁও স্টেশনে দূরপাল্লার সব গাড়ি দাঁড়াবার আগে, ঘণ্টাকয়েক হাতে রেখেই শুরু হয়ে যায় রান্নাবান্না — এভাবেই রোজ রোজ প্রায় ৩০০ কেজি বেগুন রেঁধে, বেড়ে, প্যাক করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। জলগাঁও নগরের ওল্ড বিজি মার্কেট চত্বরের এই দোকানটি আপাত দৃষ্টিতে ছোট্ট সাদামাটা এক খুপরি, তবে খদ্দেরের মধ্যে শিল্পপতি থেকে মজুর, উঠতি সাংসদ থেকে শ্রান্ত পার্টিকর্মী, সব্বাই আছেন।
গরমকালের তপ্ত কোনও সন্ধ্যায়, সায়াহ্নভোজনের ঠিক আগে যদি কৃষ্ণজি ভারিতে পা রাখেন, সাফ-সাফাই, কুটনো কাটা, বাটনাবাটা, খোসা ছাড়ানো, স্যাঁকা, ভাজা, নাড়া, পরিবেশন আর প্যাকিংয়ের চরম ব্যস্ততা দেখে তাজ্জব বনে যাবেন। রেস্তোরাঁর বাইরে, ইস্পাতের তিনখানা রেলিং বরাবর খদ্দেরের লাইন — সাবেক যুগের সিনেমাহলে টিকিটঘরের বাইরে যেভাবে ভিড় এড়ানোর জন্য রেলিং বাঁধা থাকত, অনেকটা সেরকম।
এই রঙ্গমঞ্চের তারকা অবশ্য ১৪ জন মহিলা।









