বাণিজ্যের প্রাক্তন ছাত্র কে. এন. মহেশ বর্তমানে প্রশিক্ষিত প্রকৃতিবিদ। তিনি ও তাঁর বাবা উভয়েই কুনাগাহাল্লি গ্রামের কৃষক। নিবন্ধটির জন্য ছবিগুলি তোলার সময়ে মহেশ বান্দিপুর জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেড়ে ওঠা নাছোড়বান্দা আগাছা নিড়ানোর কাজে এক স্থানীয় বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করছিলেন।
তাঁরএই চিত্র-নিবন্ধটি বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের সহবাস নিয়ে একটি বৃহত্তর সহযোগী ফটোগ্রাফি প্রকল্পের অংশ। এটি পারি থেকে প্রকাশিত ৬টি চিত্র-নিবন্ধ সম্বলিত সিরিজের চতুর্থতম নিবন্ধ। ২৭ বছর বয়সি মহেশ বলেন, “আমায় যখন প্রথম ক্যামেরা দেওয়া হল, তখন ঠিক কোন ছবি তোলা উচিত তা ঠাহর না করতে পেরে ছবি তুলতে খুবই লজ্জা পেতাম। তারপর যে জিনিস দেখে বেশ নতুন নতুন লাগত অথবা আকর্ষণীয় বলে মনে হত, তার ছবি তুলতাম। আমার এই প্রজেক্টটি খুব পছন্দ, এর মাধ্যমে আমরা গ্রামের দৈনিক জীবনযাত্রা দেখতে পাই।”














