দুই কৃষক আট বছর আগে ছায়া-ঘর তৈরি করেন। প্রথম দুই বছর তাঁরা মুনাফার মুখ দেখলেন, ফলে উৎসাহিত হয়ে কাঠামো এক একর থেকে বাড়িয়ে দুই একরে নিয়ে গেলেন। “২০০৯-১০ সালে, যখন আমাদের এলাকায় ছায়া-ঘর এবং পলিহাউসের সংখ্যায় বাড়বাড়ন্ত দেখা গেল তখন এখানে ক্যাপসিকাম জাতীয় সবজি অথবা ফুলের মতো মহার্ঘ্য উৎপাদনের ভালো দর পাওয়া যেত। কিন্তু এখন দাম পড়ে গেছে [মাত্রাতিরিক্ত সরবরাহ ও বাজারের ওঠাপড়ার কারণে] এবং জলের ছিঁটেফোঁটাও নেই সেখানে আর,” ভাগওয়াত জানাচ্ছেন।
বিগত পাঁচ বছর ধরে, তাঁর এবং সাপিকের ক্যাপসিকাম চাষে ব্যাপক লোকসান হয়েছে। অথচ তা সত্ত্বেও তাঁরা ঋণ বিষয়ে কথা বলতে চান না। “এইভাবে খোলাখুলি বেরিয়ে আসাটা বেশ সমস্যার ছিল, কারণ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের মধ্যে ঋণের কথাটা চাউর হয়ে গেলে সমাজে আমাদের মানসম্মান নষ্ট হবে। কিন্তু এখন আমাদের সমস্যাগুলি নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলার সময় এসেছে,” ভাগওয়াত বলছেন।
দাদাসাহেব জানালেন, আহমেদনগর জেলা তথা অন্যান্য অঞ্চলের বহু কৃষক যাঁরা নিজেদের জমিতে শেডনেট অথবা পলি-হাউস স্থাপন করেছেন তাঁরাও ঋণদায়গ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং বর্তমানে তাঁদের এই চাষ প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছন। তিনি আরও জানান, শিরডির নিকটস্থ কানকুরি নামে তাঁর নিজের গ্রামেই অনেকে টাকার অভাবে ধুঁকছেন, এদিকে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ারও কোনও আশা নেই। “এই সংকট নগদের [লিক্যুইডিটি] সংকট, জলের সংকট, বাজারের সংকট। আর আমরা এর নাগপাশে আটকা পড়েছি। আমার না হয় সংসার টানার জন্য পেনশন আছে [তিনি নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কেরানি], কিন্তু বাকিদের কিছুই নেই...”