“পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার দায়টা না হয় আমাদের, কিন্তু পরীক্ষার পদ্ধতি স্বচ্ছ রাখার দায়িত্ব তো কর্তৃপক্ষের,” বলে ওঠেন অংশু কুমারী। স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ তিনি।
বছর ২৪-এর এই ছাত্রী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির চাপ সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত। স্কুল শিক্ষিকা হওয়ার পাশাপাশি তিনি এই মুহূর্তে একটি মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এডুকেশন নিয়ে স্নাতক স্তরের পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকের চাকরির জন্য সেন্ট্রাল টিচার এলিজিবিলিটি টেস্টের (সিটেট) প্রস্তুতিও চলছে।
সরকারি চাকরির আশায় ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের পরীক্ষায় বসেছিলেন অংশু। তবে, কোনওটাতেই সফল হননি। অগত্যা, শিক্ষকতাই বেছে নেন তিনি। পাশাপাশি চলতে থাকে রাত জেগে সরকারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি।













