খুমানিয়া আদিবাসী কাফর গ্রামের সরপঞ্চ। সেটা কাগজে কলমে সত্য বটে।
কিন্তু আসলে, তাঁর কথায়, “কোই নাম-মাত্রা কা সরপঞ্চ ভি নাহি সমঝতা ইস গাঁও মে [গাঁয়ে মানে না আমিই মোড়ল]।”
১৪ জুন, ২০২২ তারিখে এই পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন খুমানিয়া। ৫৮ বছরের সাহারিয়া আদিবাসী খুমানিয়ার মনে পড়ে, তাঁকে পঞ্চায়েত অফিসে ডাকা হয়েছিল – মধ্যপ্রদেশের কাফর গ্রামে স্থানীয় প্রশাসন বলতে সেটাই। সেই প্রথমবার তাঁর অফিসে যাওয়া, সেই একবারই গেছেন।
“আমায় শুধু শুরুতে একবার ডেকেছিল,” জানালেন খুমানিয়া। সেখানে গেলে পর তাঁর হাতে একটা সার্টিফিকেট ধরিয়ে দেওয়া হয়। নথিতে লেখা ছিল তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গ্রামের সরপঞ্চ নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁকে কাগজটা পড়ে শোনাতে হয়েছিল, কারণ তিনি নিজে কখনও স্কুলে যাননি, পড়তে-লিখতে পারেন না।
“হামাই পঞ্চায়েত মে আদিবাসী সিট আয়ে হাতি, তো গাঁও কে বড়ে লোগান নে হামাও নাম দে দাও [আমাদের পঞ্চায়েতে আদিবাসী আসন এসেছিল, তাই গ্রামের মান্যিগন্যিরা আমার নাম দিয়ে দেয়]। আমার বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়ায়নি,” স্থানীয় বুন্দেলখণ্ডি ভাষায় বলেন খুমানিয়া।







