“সরকারের কাছে সুন্দরবন মানেই শুধু বন-জঙ্গল, এখানকার মানুষগুলোকে ওরা দেখে না,” রাখঢাক না করেই বলেন গীতা মৃধা। ২০১২র ফেব্রুয়ারি মাসে বাঘের হানায় প্রাণ গিয়েছে গীতার স্বামীর, পেশায় মৎস্যজীবী ছিলেন তিনি। ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা ছিল বটে কিন্তু কিছুই মেলেনি বলে জানান গীতা, তাঁর মতো গ্রামের বেশ ক'জন মহিলার একই অবস্থা। মৎস্যজীবী স্বামীরা মারা গেছেন বাঘের হানায় আর তারপর প্রাপ্য ক্ষতিপূরণটুকুও হাতে আসেনি কারও।
“ভোট চাইতে ওদের তবু ভুল হয় না”, গীতা বললেন। তিনি নিজেও অবশ্য ভোট দিয়েছেন। “দেশের লোক হিসেবে নিজের কর্তব্যটুকু করেছি, এই আর কি,” বলেন তিনি। সুন্দরবনের রজত জুবিলি গাঁয়ে গীতার ঘর।













