এক জীবনে শিকারী, চাষি, ঝুড়ি কারিগর, এবং স্থানীয় গ্রামসভার প্রধানও হয়েছেন তিনি। এতসব কথা অবশ্য নিজের গুণকীর্তনের জন্য বলছেন না মাকো লিঙ্গি। অরুণাচল প্রদেশের ইদু মিশমি জনজাতির এই গ্রাম-প্রবীণের জীবনটাই এমন বহুবর্ণ।
ভারতের পূর্বপ্রান্তের শেষ রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জীবনধারণ করার জন্য তাঁর প্রজন্মের বাকিদের মতোই নানা ধরনের কলাকৌশল শিখতে হয়েছে তাঁকে। “গ্রামে আমরা কিছু কিনতাম না। সে সুযোগই ছিল না। সবকিছু নিজেদের তৈরি করতে হত। আমরাই চাষ করতাম, শিকার করতাম, নানা জিনিস বানাতাম,” বলেন ষাট পার করা লিঙ্গি দাদা। কথা বলতে বলতেই হাত চলছে তাঁর, নতুন ঝুড়ি বুনছেন একটা।
ইদু মিশমি জনজাতি গোটা অরুণাচল প্রদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কোনও কোনও জায়গায় তাঁদের বসতি বলতে দুই কি তিনটি পরিবারমাত্র। লিঙ্গি দাদার বাড়ি আহুনলি গ্রামে – দিবাং উপত্যকার আনিনি সার্কলের সন্নিকটে এই বসতির জনসংখ্যা মাত্র ১১।











