কোদান্ডা রামিরেড্ডি কোনও সাধারণ চাষি ছিলেন না। ২৬ বছর বয়সে এমবিএ ডিগ্রি শুধু ঘরে তুলে রাখার জন্য অর্জন করেননি - গ্রামের চাষাবাদের চিত্রে তিনি আমূল বদল আনতে চেয়েছিলেন।
অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলার রায়ম্পল্লি গ্রামে পরিবারিক শরিকি জমি প্রায় ২০ একর। কিন্তু সেই জমি ঘিরে ঋণের পাহাড় - ব্যাংক থেকে নেওয়া কৃষিঋণ, শিক্ষাঋণ, আর বেসরকারি মহাজনদের কাছেও দেনার বোঝা।
বাবা-মা পরিবারিক জমি বন্ধক দিয়েছিলেন মহাজনের কাছে। রামিরেড্ডি সেই জমি ছাড়িয়ে আনার লড়াইয়ে নেমেছিলেন। পথটা ছিল এরকম - আগে ব্যাংকের পাওনা চোকাতে হবে, তারপর দুই একর জমি বেচে মহাজনদের ঋণ মেটাতে হবে। ধাপে ধাপে এগোচ্ছিলেন তিনি।









