৬০ জনে মিলে প্রায় ১০০টা সৌর প্যানেল মাথায় করে হাতি অধ্যুষিত পাহাড় আর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে ১৮ কিলোমিটার হেঁটে নিজেদের গ্রামে পৌঁছে দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন এডামালাকুড়ির মহিলারা। কেরালার সব থেকে প্রত্যন্ত এলাকার মধ্যে পড়ে এই পঞ্চায়েত ও তার নির্বাচিত গ্রামপরিষদটি। তাপবিদ্যুৎ পৌঁছায়নি এখনও গাঁয়ে। বিচ্ছিন্ন এই অঞ্চলের ২৪০টি পরিবারের কাছে বিজলির একমাত্র উৎস সৌরবিদ্যুৎ। তাতে ছোটো ছোটো টেলিভিশন যন্ত্র অব্দি চলে!
গ্রামের সকলের ঘরে সৌরবিদ্যুৎ পৌঁছে দেবার জন্য বারবার পঞ্চায়েতকে অনুরোধ করেছিলেন এই মহিলারা। তারা নড়ে চড়ে বসার পর কাজটা নিজেদের কাঁধেই তুলে নেন তাঁরা। পেট্টিমুড়ি থেকে এডামালাকুড়ি পৌঁছাবার একটিই রাস্তা; পাহাড়ি, উঁচু-নিচু, বিপদসংকুল। এই পথ বেয়ে পায়ে হেঁটে ৯ কিলোগ্রাম ওজনের প্যানেলগুলো বয়ে গ্রামে নিয়ে এসেছেন মহিলারাই। ইদুক্কি জেলার এই গ্রাম পঞ্চায়েতটিই কেরালার প্রথম আদিবাসী পঞ্চায়েত। এই অঞ্চলে এমনিতে মাল বওয়ার কাজে পুরুষদের অধিকার একচেটিয়া বললেই চলে। সেই ছবিটা পাল্টাবার জন্য এখানকার মেয়েরা সকলে মিলে একটি “চোমাটু কোট্টাম” অর্থাৎ মাথায় মোট বওয়া শ্রমিকদের একটি দল বানিয়েছেন।








