"তেড়েফুঁড়ে ঘণ্টায় তিরিশ কিলোমিটার অব্দি দৌড়তে পারে, কিন্তু সাতাশের বেশি ওঠাই না।"
তবু যে তাঁর গাড়িখানা ফের কাজ করছে তাতেই ওয়াসিম কুরেশি সন্তুষ্ট। বছর চৌত্রিশের এই যুবক কাজে যাওয়া আর ফেরার জন্য এই তিন চাকাবিশিষ্ট মোটর সাইকেলটারই শরণাপন্ন হন কিনা!
চড়ে বসতে বসতে ওয়াসিম অবশ্য জানালেন যে, এতে তারের কায়দা-কানুন একটু গোলমেলে, সাবধানে ব্রেক লাগাতে হয়। তেচাকা বাহনটির ওপর লাগানো চেয়ারে জুত করে বসে একটু ঝুঁকে পড়ে সিটের তলায় লাগানো ব্যাটারিটা দেখিয়ে দেন তিনি, পেছনে জিনিসপত্তর রাখার বাক্সখানা চেনাতেও ভোলেন না।
তারপর আর কি! মোটরসাইকেল চালু করে তাঁর ছোট্ট মোবাইল সারাইয়ের দোকানটার উদ্দেশে রওনা হয়ে পড়েন। দিল্লি-আলওয়ার জাতীয় সড়ক বরাবর এগিয়ে গেলে কয়েকটা গাছের পেছনে গুটিসুটি দোকানঘর, হরিয়ানার মাণ্ডিখেড়ায় তাঁর গাঁ থেকে এক কিলোমিটারও হবে না। দেখলাম, পাড়ার কচিকাঁচার দল জুটে সাইকেলের পিছু পিছু দৌড় লাগিয়েছে, হাসতে হাসতে কেউ কেউ লাফিয়ে উঠেও পড়ছে পেছনে লাগানো বাক্সটার ওপর। তাতে কিছু মনে করা তো দূর, ওয়াসিম নিজেও সে হাসিতে যোগ দিচ্ছেন।












