

Kolhapur, Maharashtra
|FRI, FEB 13, 2026
দিনবদলের চাকায় ঘুরছে কাপাশির কুমোরপাড়া
পারি’র প্রতিবেদক সংকেত জৈন স্থির করেছেন সমগ্র ভারতবর্ষের অন্তত তিনশটি গ্রামে ঘুরে ঘুরে তিনি প্রতিবেদন তৈরি করবেন এবং একই সঙ্গে আরেকটি প্রকল্প বাস্তবায়িত করবেন: গ্রামীণ জীবনের যে কোনও ঘটনা বা দৃশ্যকে ঘিরে একটি আলোকচিত্র তুলবেন এবং তারপর সেই আলোকচিত্রটিকে একটি স্কেচে রূপান্তরিত করবেন। পারির এই সিরিজের এটি প্রথম প্রয়াস। স্লাইডারটি কোনও একটি দিকে টানলে আলোকচিত্রটি অথবা স্কেচটি সম্পূর্ণ দেখতে পাওয়া যাবে
Author
Editor
Translator
পারি’র প্রতিবেদক সংকেত জৈন স্থির করেছেন সমগ্র ভারতবর্ষের অন্তত তিনশটি গ্রামে ঘুরে ঘুরে তিনি প্রতিবেদন তৈরি করবেন এবং একই সঙ্গে আরেকটি প্রকল্প বাস্তবায়িত করবেন: গ্রামীণ জীবনের যে কোনও ঘটনা বা দৃশ্যকে ঘিরে একটি আলোকচিত্র তুলবেন এবং তারপর সেই আলোকচিত্রটিকে একটি স্কেচে রূপান্তরিত করবেন। পারির এই সিরিজের এটি প্রথম প্রয়াস। স্লাইডারটি কোনও একটি দিকে টানলে আলোকচিত্রটি অথবা স্কেচটি সম্পূর্ণ দেখতে পাওয়া যাবে
মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার কাপাশি গ্রামে চাকাটি এখনও ধীরে ধীরে ঘুরছে। চাকা বলতে কুমোরের চাকা। এই অঞ্চলের কুমোররা তাঁদের দক্ষতাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। নিজেদের তাঁরা শিল্পী বলেই মনে করতেন। বিষ্ণু কুম্ভার, যাঁর কাজ আপনি ছবি এবং স্কেচে দেখতে পাচ্ছেন, বলছিলেন কাগল ব্লকের প্রায় ৬,০০০ লোকের এই গ্রামে “১৯৬৪ সালে ১৮০ জন শিল্পী ছিলেন, আজ তাঁদের মধ্যে মাত্র চারজন এই কাজ করেন।”
বিষ্ণু সেরকমই একটি পরিবারের ১৩তম প্রজন্ম, যারা কোলহাপুরি মৃৎশিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাঁর নিজের পরিবার ব্যবসায় ক্ষতির মুখোমুখি হয়নি। কিন্তু "শিল্পীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে," বলছেন এই পোড় খাওয়া শিল্পী যিনি তাঁর জীবনের দীর্ঘ সময় এই কাজে ব্যয় করেছেন।
এতে বোঝা যায়, মানুষ মৃৎশিল্পের কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের আর টিকিয়ে রাখতে পারছেন না। এর অবশ্য অন্যান্য কারণও আছে। যন্ত্রনির্ভর মৃৎশিল্প বহুক্ষেত্রেই কুমোরের চাকাকে প্রতিস্থাপিত করেছে। তাছাড়া, নতুন প্রজন্ম জীবিকানির্বাহের জন্য অন্যান্য ক্ষেত্রগুলিকেও পরখ করতে ইচ্ছুক। ওদিকে, যেসকল পুরোনো কুমোরেরা আছেন, তাঁদের বয়স বাড়ছে। অনেকেই পিঠের ব্যথায় ভুগছেন।
“আমার ছেলে নিজেও একটি চিনির কারখানায় কাজ করে, ফলে সামান্যই সময় দিতে পারে। এই কারণে কুমোরের কাজে তাঁর দক্ষতাও খুব একটা বাড়েনি,” বলছেন বিষ্ণু। “তাই আমি পুত্রবধূকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, যাতে সে এই কাজের ধারাটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।“
অনুবাদ: মুন্নী সেন
অনুবাদ সম্পাদনা: স্মিতা খাটোর
Want to republish this article? Please write to [email protected] with a cc to [email protected]
Donate to PARI
All donors will be entitled to tax exemptions under Section-80G of the Income Tax Act. Please double check your email address before submitting.
PARI - People's Archive of Rural India
ruralindiaonline.org
https://ruralindiaonline.org/articles/kapashis-wheel-of-changing-fortunes-bn

