পিসদা যা-ই বলুন না কেন, বাস্তবে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর সরকারি উদ্যোগ এখনও মূলত কাগজেই আটকে আছে।
"সরকারি নীতি মেনে প্রতিটি যোগ্য কৃষককে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে বটে। জেলা কালেক্টরদের সেগুলো দেখতে বলা হয়েছে," জানাচ্ছেন পিসদা।
কিন্তু গোড়াতেই যদি গলদটা থাকে! অর্থাৎ ক্ষতিপূরণের নীতিটাই যদি ভুল হয়?
ফাঁকা মাঠ দেখে ক্ষতির আসল পরিমাণ বোঝার উপায় নেই, ফসল কবেই কাটা হয়ে গেছে। বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত তথ্য আর ধান বিক্রির হিসেব ধরে কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির অঙ্ক কষেছেন।
রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী বৃজমোহন আগরওয়ালের বক্তব্য, "টাকা বিতরণের দায়িত্ব কর্মকর্তাদের হাতে ছিল। কিছুটা অভিযোগ যে উঠবে, সেটাই স্বাভাবিক। তাই বলে এটা বলা ঠিক নয় যে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক রোষ ছড়িয়েছে।"
আম আদমি পার্টির রাজ্য আহ্বায়ক ও কৃষি বিশেষজ্ঞ সংকেত ঠাকুর মন্ত্রীর এই কথা সরাসরি নাকচ করে দেন।
"সরকার কৃষকদের সাহায্য করার ভান করছে, এটুকুই। সব দায় চাপিয়ে দিয়েছে আমলাদের ঘাড়ে। ত্রাণের টাকা এমনিতেই যৎসামান্য, তার উপর বিতরণে ব্যাপক দুর্নীতি," তিনি বলেন।
তিনি আরও বলছেন, "এই অবস্থার বদল না হলে আরও অনেক কৃষককে মৃত্যুর পথ বেছে নিতে হবে। শুধু মনরেগার ভরসায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া যায় না।"
এই প্রতিবেদনের মূল সংস্করণটি ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজস্থান পত্রিকার রায়পুর সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছিল।
মূল হিন্দি থেকে ইংরেজি অনুবাদ করেছেন দীপক শর্মা