রাজস্থানের মামোনি গ্রাম। সেখানে আগেভাগেই শুরু হয়ে যায় হোলির প্রস্তুতি। হোলি নিয়ে উৎসাহেরও কমতি নেই। থাকবেই বা কেন, সেখানে যে হোলি চলে মার্চের গোটা এক সপ্তাহ ধরে! এমনিতে বারান রাজস্থানের দরিদ্রতম জেলাগুলোর একটা। তাই এ গ্রামের মানুষের কাছে হোলি শুধু উৎসব নয়, বরং ঈশ্বর আর প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সময়।
হোলির আগের রাতে আগুন জ্বালিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এই প্রথা অনেক পুরনো। একে ‘হোলিকা’ পোড়ানো বলে। সেদিন গমের শুকনো শিষ দিয়ে আগুন জ্বালানো হয়। অনেককাল আগে, হোলিকা পোড়ানোর পরের দিন গমের ওই পোড়া ছাই বা রাখ মাখিয়েই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতেন গ্রামবাসীরা। পরবর্তীকালে ছাইয়ের বদলে জায়গা করে নেয় গুঁড়ো রং কিংবা আবির, যা দিয়ে এখন হোলি খেলে সারা দেশের মানুষ।
















