বর্ষা এবারে ভালো হয়েছিল, একদম ঠিকঠাক আবহাওয়া ছিল, ফলনও হয়েছিল প্রচুর। ২৮ বছরের সন্দীপ থাভকর ভেবেছিলেন, তাঁর জমির টমেটো এবারে আয় দেবে অনেক।
চিরকাল সয়াবিন আর তুলো চাষ করে এসেছেন, এবারে নিজের চার একর চাষজমির মধ্যে দেড় একরে টমেটো চাষ করে একটা বাজি খেলেছিলেন নাগপুর থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরের ভিরখন্ডির এই বাসিন্দা। গত বছর প্রতিবেশীদের এই শস্যে বেশি ভালো আয় করতে দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু মধ্য-ডিসেম্বরে তাঁর স্থানীয় প্রকারের টমেটো খেত থেকে তোলার আগেই ফসলের দাম পড়ে যায়। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তাঁর প্রতি ক্রেটে ২৫ কিলো করে ২৫ ক্রেট টমেটো কিলো প্রতি মাত্র ১ টাকা ২০ পয়সা দরে বিকোয়।
এই দামে বাজারের দালালের কমিশন বা পরিবহণ খরচা তো দূর, শ্রমিক মজুরির খরচাটাও তুলতে পারেননি, জানালেন তিনি। চাষ শুরুর খরচ আর পারিবারিক শ্রমের কথা তো ছেড়েই দিলাম।
২৭ ডিসেম্বর বাড়ি ফিরে তুতো ভাই শচীনের থেকে তাঁর ট্র্যাক্টরটা ধার করেন সন্দীপ। তারপর নিজের টমেটো খেতের উপর চালিয়ে দেন সেই ট্র্যাক্টর। সেই জমি, যেখানে গত চার মাস ধরে স্ত্রী, দিদি ও কাকিমাকে সঙ্গে নিয়ে উদয়াস্ত পরিশ্রম করেছেন তিনি – বীজ রোপণ করেছেন, আগাছা তুলেছেন, জল দিয়েছেন, পোকামাকড়ের হাত থেকে ফসল বাঁচিয়েছেন।




