কাল্লিয়াস্সেরির কাছে পারাস্সিনি কাদাভুর মন্দির ’৩০ এবং ’৪০-এর দশকে ব্রিটিশদের থেকে পলায়নরত জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদের আশ্রয়স্থল ছিল। মন্দিরের বিগ্রহগুলির মধ্যে আছে শিকারীদের উপাস্য দেবতা মুথাপ্পান এবং কাঁসার তৈরি কুকুর অন্যতম

কাল্লিয়াস্সেরির কাছে পারাস্সিনি কাদাভুর মন্দিরটি আর পাঁচটা মন্দিরের থেকে একটু অন্যরকম। বরাবরই এই মন্দিরের দরজা জাতপাত নির্বিশেষে সকলের জন্য খোলা। মন্দিরের পুরোহিতরা সমাজের অনগ্রসর সম্প্রদায়ের মানুষ।ঠাকুর মুথাপ্পান এখানে ‘গরিবের দেবতা’ নামেই পরিচিত। দেবতার উদ্দেশ্যে যে অর্ঘ্য উৎসর্গ করা হয় তাড়ি আর মাংস তার মধ্যে অন্যতম। কটা মন্দিরেই বা কাঁসার তৈরি কুকুরের মুর্তি বিগ্রহ হিসেবে থাকে! অবশ্য কেরালার কান্নুর জেলার এই মন্দিরে তা আছে বৈকি! কারণ মুথাপ্পানশিকারীদের আরাধ্য দেবতা যে।

১৯৩০-এর দশকে মুথাপ্পান ছিলেন যারা শিকার তাদেরও উপাস্য দেবতা। বিশেষত, ব্রিটিশদের হাত থেকে পলায়নরত জাতীয়তাবাদী এবং কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের আরাধ্য। “এই মন্দির আমাদের সঙ্গে গাঁঠছড়া বেঁধে জানমিদের (সামন্ত প্রভু) বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে অংশ নেয়,” বলেন কে. পি. আর. রায়ারাপ্পন। এই অঞ্চলে ১৯৪৭ সালের আগে এবং পরে সংঘটিত সব আন্দোলনে তিনি ছিলেন শরিক। “স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ বামপন্থী ব্যক্তিত্বরা এখানে অন্তত একবার অবশ্যই আশ্রয় নিয়েছেন।”

নাস্তিক এবং ভক্তের এই আজব জোটের যৌক্তিক ভিত্তিটি খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে দুইয়ের শ্রেণিগত অবস্থানে বিশেষ পার্থক্য ছিল না। উভয়েই উচ্চবর্ণের শোষণের বিরুদ্ধে ছিল। দুইদলের মানুষই জমিদারদেরঅত্যাচারেরভুক্তভোগী। তাছাড়া, তৎকালীন ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদী আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে এদের সকলের অবস্থানই ছিল ব্রিটিশবিরোধী।

রায়ারাপ্পন জানান “এখানকার এক প্রতাপশালী জানমির উদ্দেশ্য ছিল এই মন্দিরের দখল নেওয়া। মন্দিরের বিশাল অঙ্কের আয়ের লোভ সামলানো তাঁর জন্য খুব কঠিন ছিল।”অবশ্য এটা বোঝা শক্ত নয়। এখনও মুথাপ্পানের এই মন্দির প্রতিদিন ৪০০০ মানুষের আহার জোগায়, সপ্তাহশেষে মানুষের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৬০০০। এই অঞ্চলের সমস্ত ছাত্রছাত্রীর জন্য প্রতিদিন ভোজনের ব্যবস্থা করে এই মন্দির।

৩০ এবং ’৪০-এর দশকে এই মন্দির বিপ্লবীদের আশ্রয় দিয়ে অভূতপূর্ব ঝুঁকির কাজ করেছিল। তবে, কাল্লিয়াস্সেরি এবং তার আশপাশের স্থান বরাবরই আলাদা। এখানকার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা নতুন কিছু নয়। পাপ্পিনেস্সিরির কাপড়ের মিলের কথাই ধরুন না, প্রতিবেশী সব গ্রাম থেকে এখানে শ্রমিকরা কাজেআসতেন। ’৪০-এর দশকে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে এখানে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ১৯৪৬ সালের একটা ধর্মঘট ১০০ দিন ধরে চলে। এটা হল ঠিক তখন যখন বোম্বাইয়ে রয়াল ইন্ডিয়ান আর্মির বিদ্রোহের সমর্থনে কেরালার এই গ্রামের মানুষ ধর্মঘট শুরু করলেন।

৮১ বছরের পায়ানাদান যশোদা বলেন, “এই এলাকায় এক বছরেরও বেশি সময় জুড়ে ১৪৪ ধারা (সাধারণ নাগরিক অধিকারের উপর আইনিনিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ফৌজদারি কার্যবিধি) জারি করা হয়। এতসব সত্ত্বেও আমরা কিন্তু সক্রিয় ছিলাম।” মালাবারের রাজনীতিতেশিক্ষক আন্দোলন অত্যন্ত গূরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যশোদা ১৯৩০-এর পর থেকে এই আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী ছিলেন।

অন্যান্য স্থানের সংগ্রামের তুলনায় এখানকার লড়াইয়ের স্বরূপ ভিন্ন কেন? যশোদার মতে, “আমরা সংগঠিত হতে পেরেছিলাম। আমাদের কাজকর্ম রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে সঞ্চালিত হয়েছিল। আমাদের লক্ষ্য ছিল সুস্পষ্ট। গণচেতনার বিকাশ তথা জনসাধারণের অংশগ্রহণ এই দুই ছিল আমাদের শক্তি। জাতীয় আন্দোলনে আমরা ছিলাম শরিক। আমরা সমাজ সংস্কার তথা জাতিভেদ প্রথা বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম। এছাড়া ছিল জমির লড়াই। এই সবকিছু একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত।”  

কাল্লিয়াস্সেরি এবং তার প্রতিবেশী অঞ্চলগুলি তাদের স্বাধীনতা পরবর্তী ৫০ বছরের যথার্থই সদ্ব্যবহার করেছে। অঞ্চলের সাক্ষরতার হার প্রায় একশো শতাংশ এবং এখানকার প্রতিটি বাচ্চা স্কুলে যায়। অন্যান্য সামাজিক সূচকগুলির নিরিখেও বিচার করলে দেখা যাবে, এই অঞ্চল পশ্চিমের দেশগুলির সমকক্ষ। যশোদার মতে এইসবই অর্জন করা সম্ভব হয়েছে জনগণের সংগঠিত রাজনৈতিক প্রয়াসের ফলে। 

এই আলোচনা একটু অতিরঞ্জিত বলে ঠেকছে না? বিশেষত, সংগঠিত রাজনৈতিক আন্দোলনের ভূমিকা? কেরালায় সাক্ষরতার হার বরাবরই বেশি ছিল। এই তালুকের প্রথম মহিলা শিক্ষক যশোদা এই যুক্তি উড়িয়ে দেন। “১৯৩০ সালের শেষেও মালাবারের সাক্ষরতার হার ছিল মোটে শতকরা আট শতাংশ। ট্রাভাঙ্কোরে তা ছিল শতকরা ৪০ শতাংশ। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই আমরা ঐ জায়গায় পৌঁছতে পেরেছি।”

সেদিক থেকে মালাবার সত্যিই ভারতবর্ষের মধ্যে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। খুব অল্প সময়ে এই আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করতে পেরেছে। ট্রাভাঙ্কোর এবং কোচিনের থেকে অন্যান্য মাপকাঠিতেও মালাবার পিছিয়ে ছিল। রায়ারাপ্পন বলেন, “আমাদের সংগঠিত রাজনৈতিক প্রয়াসের ফলে এই পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। ’৫০ এবং ’৬০ –এর দশকে ভূমি সংস্কারের মাধ্যমে জাতপাত সহ আরও অনেক সামাজিক প্রথায় ধাক্কা লাগে।” শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য এই দুই ক্ষেত্রেই ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়। ১৯২৮ সালে কাল্লিয়াস্সেরির মাত্র ২৪টি পরিবারের হাতে শতকরা ৪৩ শতাংশ জমির মালিকানা ছিল। বর্তমানে মাত্র ১৩টি পরিবারের হাতে পাঁচ একরের বেশি জমির মালিকানা আছে। এছাড়া, মোট জমির মাত্র ছয় শতাংশ তাদের অধিকারে আছে।

কাল্লিয়াস্সেরির বাসিন্দাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকাতেও পরিবর্তন এসেছে। দুধ এবং মাংসের সেবন বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি শ্রমজীবী নারী পুরুষদের বেশভূষা দেখে তাদের পেশা আন্দাজ মোটেই করতে পারবেন না।

’৮০-এর দশক জুড়ে ব্যাপক সাক্ষরতা অভিযানের জেরে রাজ্যে নানান দিক থেকে সাফল্য আসে। শাস্ত্র সাহিত্য পরিষদের মতো সংস্থাগুলির প্রয়াসের ফলে আরও নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়। এই সবকিছুই পরস্পরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, এই অঞ্চলের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের উর্বর ভূমিতে লালিত। কাল্লিয়াস্সেরিসহ সমগ্র মালাবার জেলাই অন্যান্য আরও অনেক ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা নিয়েছে।

কান্নুরের কৃষ্ণাণ মেনন কলেজের অধ্যাপক মোহন দাস জানান, “কাল্লিয়াস্সেরি ’৩০-এর দশকের শেষে তথা ’৪০-এর দশক জুড়ে নানান পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। উৎপাদক এবং উপভোক্তা সমবায় গঠিত হয়। এই পদক্ষেপগুলো পরবর্তীকালে ন্যায্যমূল্যের দোকানতৈরির পথ প্রশস্ত করে।”

“খরা এবং দুর্ভিক্ষগ্রস্ত এক সময়ে এই উদ্যোগগুলি নেওয়া হয়েছিল। কৃষকদের উৎপাদিত শস্যের উপর জানমিদের (জোতদার/জমিদার) দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছিল। এমনটাও হতে পারে যে জানমিরা ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে আরও জোরদার দাবিদাওয়ার সম্মুখীন হচ্ছিল। এর আগে খরার সময়ে রায়তের কাছ থেকে শস্য সংগ্রহ করার ব্যাপারে কিছু কিছু ছাড় দেওয়া হত। কিন্তু ’৪০-এর দশকে তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল।”

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অগ্নি শর্মণ নাম্বুদিরি জানান, ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ এই সঙ্কট চূড়ান্ত রূপ নেয়। “কারিভেল্লুর গ্রামে জানমিদের শস্য দখল করার প্রয়াস কৃষকরা প্রতিহত করেন। গুলিচালনার ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়। সন্ত্রাস কায়েম হয়। সবকিছু মিলে জানমি বিরোধি মনোভাব তীব্র আকার নেয়।” এই প্রতিরোধ থেকেই এখানে ভূমি সংস্কারের দাবিতে এক সফল আন্দোলন সংগঠিত হয়ে ওঠে।

আজকের দিনে চোখ ফেরালে এই সাফল্যের পাশাপাশি কাল্লিয়াস্সেরির জ্বলন্ত সমস্যাগুলোও নজরে আসবে। রায়ারাপ্পনের কথায়, “কৃষির অবস্থা শোচনীয়। উৎপাদনের হার হ্রাস পেয়েছে। ক্ষেতমজুরদেরকাজের যোগান ক্রমশ কমছে।”

মোহন দাসের ভাষায়:“ঘরবাড়ি বানানো তথা অর্থকরী ফসল ফলানোর তাগিদে ধানিজমির ব্যবহার এক ভয়াবহ পরিবর্তন সূচীত করে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যায় জনৈক জানমির মালিকানায় থাকা বিশাল জমি। কাল্লিয়াস্সেরির উৎপাদিত মোট ধানের অর্ধেক আসত এই জমি থেকে। এখন এখানে বসত বাড়ি এবং অর্থকরী শস্য চাষের বাড়বাড়ন্ত। এই কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে বটে, কিন্তু ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।”

বেকারত্ব ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণের হার পুরুষদের তুলনায় অর্ধেক। শ্রমশক্তির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের শতকরা প্রায় ৫০ শতাংশই বেকার।তুলনামূলকভাবে অধিকাংশ কম দক্ষতারমজুরির কাজেই মহিলা শ্রমিকরা নিযুক্ত। এক্ষেত্রেও মহিলারা পুরুষদের থেকে অপেক্ষাকৃত কম উপার্জন করেন।

এই সমস্যাগুলো পাহাড়প্রমাণ। তবে হতাশার চিহ্নমাত্র নেই এখানে। কেরালার পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতার নিরিখে কাল্লিয়াস্সেরির স্থান একেবারে প্রথম সারিতেই। রাজ্যের অন্যান্য ৯০০-এর বেশি পঞ্চায়েতের মতই কাল্লিয়াস্সেরিও গ্রামোন্নয়নের যাবতীয় পরিকল্পনার রূপরেখা নিজেই প্রস্তুত করেছে। এই পরিকল্পনা মানুষের সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে। এই কর্মকান্ডের বেশিটাই স্থানীয় সম্পদ তথা সাধারণ মানুষের স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়েই সম্ভব হয়েছে। রায়ারাপ্পন বলেন, “এই পঞ্চায়েতের আরও অনেককিছুর মতো ৬২ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণও বাস্তবায়িত হয়েছে গ্রামের মানুষের শ্রমের জন্যই।”

গ্রামসভার বৈঠকগুলিতে গ্রামবাসীরা বেশি সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন এবং খোলাখুলিভাবে নিজেদের বক্তব্য রাখেন। কাল্লিয়াস্সেরির প্রায় ১২০০ স্বেচ্ছাসেবক/সেবিকা মিলে আরেক সাফল্য অর্জন করেছেন: দেশের মধ্যে এটি হল সর্ব প্রথম গ্রাম পঞ্চায়েত যারা পিপল্‌স রিসোর্স ম্যাপিং প্রোগ্রামের কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। গ্রামের প্রাকৃতিক তথা মানব সম্পদের যথার্থ চিত্রটি তুলে ধরেছেন স্থানীয় মানুষেরা বহিরাগত বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে। এই সামগ্রিক পরিকল্পনার একটা অংশ যোজনাগুলোর সম্ভাব্য পরিবেশগত প্রভাব ঘিরে।

অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার, সরকারী কর্মচারী প্রমুখদের নিয়ে গঠিত ‘স্বেচ্ছাসেবী প্রযুক্তি বাহিনী’ (ভলান্টারি টেকনিকাল কর্পস বা ভিটিসি) এই যোজনাগুলির তদারকি করেন। রাজ্যে প্রায় ৫০০০-এর বেশি সংখ্যার ভিটিসি সদস্য আছেন।

সম্মুখে কঠিন অন্তরায়। গ্রামের মানুষের সমস্যার কারণগুলির অধিকাংশই গ্রামের চৌহদ্দির বাইরে। কিন্তু কাল্লিয়াস্সেরি যথারীতি আত্মবিশ্বাসী। রায়ারাপ্পনের কথায়: “আমাদের লড়াই কখনই থামেনি।”

১৯৪৭-এর পরেও নয়।

১৯৯৭ সালের ২৯শে আগস্ট দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া সংবাদপত্রে এই নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই সিরিজের বাকি লেখাগুলো এইখানে পাবেন।

সালিহান যখন ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন

পানিমারার পদাতিক বীরেরা -১

পানিমারার পদাতিক বীরেরা -২

লক্ষ্মী পান্ডার শেষ লড়াই

অহিংসার পথে নয়টি দশক

শেরপুর: মহান আত্মত্যাগ, ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি

গোদাবরী: এখনও আক্রমণের আশঙ্কায় পুলিশ

সোনাখান: দু’বার মৃত্যু হল বীরনারায়ণ সিংয়ের

কাল্লিয়াস্সেরি: সুমুকনের সন্ধানে

অনুবাদ: স্মিতা খাটোর

স্মিতা খাটোর ([email protected]mail.com) কলকাতার মানুষ। নারীর অধিকার সংক্রান্ত কাজকর্মে তিনি আগ্রহী। রুজির তাগিদে গ্রাম তথা মফস্বল থেকে আসা সাধারণ মানুষের জীবনের নানান দিক তাঁকে ভাবায়।

পি. সাইনাথ পিপলস আর্কাইভ অফ রুরাল ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। বিগত কয়েক দশক ধরে তিনি গ্রামীণ ভারতবর্ষের অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকতা করেছেন। তাঁর লেখা বিখ্যাত বই ‘এভরিবডি লাভস্ আ গুড ড্রাউট’।

Other stories by P. Sainath